ডিএনএন ডেস্ক: এক বছরের জন্য লিটন দাসকে টি-২০ দলের অধিনায়ক করা হয়। ফেব্রুয়ারিতে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ পর্যন্ত দলের নেতৃত্বভার তার কাঁধে। লিটনের অধীনে সংক্ষিপ্ত সংস্করণে বাংলাদেশ দল মোটামুটি ভালো ক্রিকেট উপহার দিয়েছে। বিশ্বকাপ সামনে রেখে লিটন দল গোছানোর চেষ্টা করেছেন। অথচ বিশ্বকাপের ঠিক আগে এসে লিটন জানলেন, অধিনায়ক হিসেবে তার কাজটা শুধুই মাঠে। তাকে বোর্ড বা গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর নির্বাচক প্যানেল থেকে একটা দলটা দেওয়া হবে। তা নিয়েই খেলতে হবে এবং ফল এনে দিতে হবে।
এক যুগ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছেন লিটন দাস। মাশরাফি মর্তুজা, সাকিব আল হাসানদের মতো সিনিয়রদের পাশাপাশি সমবয়সী নাজমুল শান্ত-মেহেদী মিরাজদের নেতৃত্বে খেলেছেন তিনি। নিজে একটা ফরম্যাটে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
এসব অভিজ্ঞতা থেকে লিটন জানতেন, দলটা কেমন হবে, কে দলে ঢুকছে, কোন পরিকল্পনায় ঢুকছে; তা অন্তত কোচ ও অধিনায়ককে জানানো হবে।
কিন্তু লিটন আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজের আগে জানলেন, অধিনায়ক হিসেবে কে দলে ঢুকবে, কে বাদ পড়বে; এটা তাকে জানানো হবে না। এটা নিয়ে তার বলারও কিছু থাকবে না। তাকে একটা দল ‘ধরিয়ে’ দেওয়া হবে। ওই দল নিয়েই তাকে খেলতে হবে।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজেও লিটন হাতে থাকা দল থেকে সেরা একাদশ সাজানোর চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন। এমনকি বিশ্বকাপেও যে দলটা তাকে দেওয়া হবে, সেটা নিয়েই খেলবেন।
অধিনায়ক লিটন এতোকিছু জানতে পেরেছেন আয়ারল্যান্ড সিরিজে শামীম পাটোয়ারি দল থেকে বাদ পড়ার পর। শামীম কেন আয়ারল্যান্ড সিরিজে নেই অধিনায়ক লিটন তা জানেন না।
বুধবার ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, শামীম কেন দলে নেই, তা জানেন না। তাকে কোন নোটিশ দেওয়া হয়নি। এটা কেবলই নির্বাচকদের কল। তবে তিনি মনে করেন শামীম থাকলে ভালো হতো।
বাঁ-হাতি মিডল অর্ডার ব্যাটার শামীমের দলে না থাকার কারণ অবশ্য অফ ফর্ম। সর্বশেষ সাত ইনিংসে তিনটি শূন্য তার নামের পাশে। এক রানে আউট হয়েছেন দু’বার। তিশোর্ধ্বো ইনিংস দুটি।
তবে লিটন মনে করেন, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের এক-দুইটা সিরিজ খারাপ যেতে পারে। শামীম যে দুই-তিনটা সিরিজে খুবই ভালো ব্যাটিং করেছেন, সেটাও মনে করিয়ে দেন তিনি। অধিনায়ক হিসেবে তিনি পরিকল্পনায় থাকা ক্রিকেটারদের সুযোগ দিয়ে যেতে চান, যাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারে।