৯ ভাদ্র, ১৪৩৩
২৪ আগস্ট, ২০২৬

হালান্ড-নিকো লড়াইয়ে নজর বিশ্বের

Admin Published: July 10, 2026, 11:40 am
হালান্ড-নিকো লড়াইয়ে নজর বিশ্বের

ডিএনএন ডেস্ক: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ একটাই- আর্লিং হালান্ড। নরওয়ের এই গোলমেশিনকে আটকে রাখতে পারলেই জয়ের রাস্তা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার নিকো ও'রাইলি। তবে একইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, নরওয়ে শুধু হালান্ডনির্ভর দল নয়। আগামীকাল শনিবার মায়ামিতে শেষ আটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে।


এবারের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন হালান্ড। ইতিমধ্যেই ৭ গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়েও রয়েছেন তিনি। তার নেতৃত্বেই ইতিহাস গড়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে নরওয়ে।

ম্যাচের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ও'রাইলি বলেন, ‘হালান্ডকে শান্ত রাখা অবশ্যই আমাদের জন্য বড় বিষয় হবে।

কিন্তু নরওয়ে শুধু একজনকে নিয়ে গড়া দল নয়। মাঠের প্রতিটি বিভাগেই ওদের এমন ফুটবলার রয়েছে, যারা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। এই বিশ্বকাপে সেটা ওরা বারবার প্রমাণ করেছে।’

ম্যান সিটির সতীর্থ, এবার প্রতিপক্ষ


ক্লাব ফুটবলে দু'জনই ম্যানচেস্টার সিটির জার্সি গায়ে খেলেন। কিন্তু বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ও'রাইলির সামনে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব থাকবে নিজের ক্লাব সতীর্থ হালান্ডকে আটকানো। ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার মার্ক গেহিও নরওয়ের এই স্ট্রাইকারকে থামানোর কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়বেন।


অন্যদিকে, ম্যাচে আরও একটি আকর্ষণীয় লড়াই হতে চলেছে আর্সেনাল সতীর্থদের মধ্যে। নরওয়ের অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড খেলবেন ইংল্যান্ডের ডেকলান রাইস ও বুকায়ো সাকার বিরুদ্ধে।


উদ্বেগ উড়িয়ে দিলেন ও'রাইলি


মেক্সিকোর বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে জ্যারেল কোয়ানসাহ লাল কার্ড দেখায় ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ কিছুটা চাপে রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকজন ডিফেন্ডারের চোটও রয়েছে। তবে এসব নিয়ে চিন্তিত নন ও'রাইলি।


তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি আদর্শ নয়, কিন্তু আমাদের দলে যথেষ্ট ভালো ফুটবলার রয়েছে। মেক্সিকোর বিরুদ্ধে ১০ জন নিয়ে খেলেও আমরা রক্ষণে দারুণ দৃঢ়তা দেখিয়েছি। তাই এটা কোনও বড় সমস্যা বলে মনে করছি না।’


সাকার লক্ষ্য বিশ্বকাপ জেতা


ইংল্যান্ড ফরোয়ার্ড বুকায়ো সাকাও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাদের লক্ষ্য শুধু সেমিফাইনালে ওঠা নয়, বিশ্বকাপ জেতা। তার কথায়, ‘অবশ্যই বিশ্বকাপ জেতাই আমাদের লক্ষ্য। তবে এখন পুরো মনোযোগ নরওয়ের ম্যাচে। সামনে এখনও তিনটি ম্যাচের পথ বাকি। মেক্সিকো ম্যাচের উত্তেজনা পেছনে ফেলে আমরা এখন শুধুই নরওয়েকে নিয়ে ভাবছি।’


বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত ইংল্যান্ডের ১১ গোলের মধ্যে হ্যারি কেন ও জুড বেলিংহ্যাম মিলিয়ে করেছেন ১০টি। তবে সাকার বিশ্বাস, শুধু এই দু'জন নন, ইংল্যান্ডের দলে একাধিক ম্যাচজয়ী ফুটবলার রয়েছেন, যারা যে কোনও সময় পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন। 


এখন দেখার, মায়ামিতে হালান্ডকে থামিয়ে ইংল্যান্ড সেমিফাইনালের টিকিট কাটতে পারে, নাকি নরওয়ের স্বপ্নযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যায়।