৯ ভাদ্র, ১৪৩৩
২৪ আগস্ট, ২০২৬

‘পুষ্পা’ এখন সবার নজরে, দাম ১০ লাখ

Admin Published: May 21, 2026, 10:00 pm
‘পুষ্পা’ এখন সবার নজরে, দাম ১০ লাখ

ডিএনএন ডেস্ক : পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের মাধবপুরে কোরবানির পশুর বাজারে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে বিশালাকৃতির দেশি ষাঁড় ‘পুষ্পা’। প্রায় ১১শ’ কেজি ওজনের এই ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিনই উপজেলার আন্দিউড়া এলাকার একটি খামারে ভিড় করছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।


‘পিওর অ্যান্ড অর্গানিক ডেইরি ফার্ম’-এর মালিক মুত্তাকিম চৌধুরী জানান, প্রায় তিন বছর ধরে সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার ও প্রাকৃতিক উপায়ে ‘পুষ্পা’কে লালন-পালন করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে নিজ হাতে ষাঁড়টির পরিচর্যা করেন তিনি। সবুজ ঘাস, খড়, ভুট্টা, গমের ভুষি ও দানাদার খাবার খাইয়েই বড় করা হয়েছে ‘পুষ্পা’কে।


তিনি আরও উল্লেখ করেন, ষাঁড়টির বর্তমান ওজন প্রায় ১১শ’ কেজি। খামার থেকেই বিক্রির চেষ্টা চলছে। বিক্রি না হলে কয়েক দিনের মধ্যে হাটে তোলা হবে। ‘পুষ্পা’র দাম চাওয়া হচ্ছে ১০ লাখ টাকা।


শুধু ‘পুষ্পা’ নয়, মুত্তাকিম চৌধুরীর খামারে বর্তমানে প্রায় ৩২০টি গবাদিপশু রয়েছে। খামারটিতে নিয়মিত কাজ করছেন ২৫ জন শ্রমিক। ঈদকে সামনে রেখে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সম্ভাব্য ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা প্রতিদিন খামারটি পরিদর্শনে আসছেন।


উপজেলা সহকারী প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. মাজহারুল ইসলাম জানান, ‘পুষ্পা’ মাধবপুর প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া একটি দেশি ষাঁড়। এটি সম্পূর্ণ দেশীয় খাবারে বড় হয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর খামারিদের নিয়মিত প্রযুক্তিগত ও চিকিৎসাসেবা দিয়ে সহযোগিতা করছে।


উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিঠুন সরকার উল্লেখ করেন, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে মাধবপুর উপজেলায় প্রায় ১৫ হাজার কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন খামার ও প্রায় ৯০০ পরিবার এসব পশু লালন-পালন করছেন।


তিনি জানান, খামারি মুত্তাকিম চৌধুরী অত্যন্ত যত্ন নিয়ে তিন বছর ধরে ‘পুষ্পা’কে বড় করেছেন। নিজস্বভাবে তৈরি খাবার ব্যবহার করায় তার খামারের পশুর প্রতি ক্রেতাদের আলাদা আস্থা তৈরি হয়েছে। প্রতি বছরই তার খামারের পশুর চাহিদা ভালো থাকে।