ডিএনএন ডেস্ক: আজ ভোরে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করার পর আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার। মেসিকে নিজের ‘সেরা বন্ধু’ হিসেবে অভিহিত করার পাশাপাশি এই ফুটবল মহাতারকার প্রতি নিজের গভীর ভালোবাসার কথা জানান তিনি।স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের ৩-০ গোলের বড় জয়ের পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মেসির সাথে তার অটুট বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরেন নেইমার।
ডি স্পোর্টসের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে শেয়ার করা এক বার্তায় নেইমার বলেন, ‘মাঠের ভেতরে ও (মেসি) তো দুর্দান্তই, ভাবুন মাঠের বাইরে ও কেমন মানুষ! ও আমার দারুণ একজন বন্ধু।
এই সময়ে তারা ক্লাবটির হয়ে আটটি বড় শিরোপা জিতেছেন, যার মধ্যে রয়েছে দুটি লা লিগা (২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬), তিনটি কোপা দেল রে (২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬, ২০১৬-১৭), উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ (২০১৪-১৫), উয়েফা সুপার কাপ (২০১৫) এবং ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ (২০১৫)।
এরপর ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে (পিএসজি) আবারও একসাথে খেলেন এই দুই মহাতারকা।
প্যারিসে থাকাকালীন তারা তাদের শিরোপার ঝুলিতে আরও তিনটি ট্রফি যোগ করেন, যার মধ্যে রয়েছে ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ মৌসুমের টানা দুটি লিগ ওয়ান শিরোপা এবং ২০২২ সালের ট্রফি দেস চ্যাম্পিয়নস।
এদিকে মাঠের লড়াইয়ে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। মরক্কোও এই গ্রুপ থেকে রানার্স-আপ হিসেবে পরবর্তী রাউন্ডে উঠেছে। ম্যাচের সপ্তম মিনিটে গোল করে ডেডলক ভাঙেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে চমৎকার এক হেডে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন। বিরতির পর ব্রাজিলের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন ম্যাথিউস কুনহা।
পুরো ম্যাচজুড়ে আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে ব্রাজিল। অন্যদিকে স্কটল্যান্ড কিছু চেষ্টা চালালেও গোলমুখে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। এই ম্যাচে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ভিনিসিয়ুস। গত ২৪ বছরের মধ্যে প্রথম ব্রাজিলিয়ান হিসেবে বিশ্বকাপের প্রথম তিন ম্যাচের প্রতিটিতেই গোল করার কৃতিত্ব দেখালেন তিনি। এর আগে ২০০২ বিশ্বকাপে সর্বশেষ এই রেকর্ড গড়েছিলেন কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও এবং রিভালদো।
ইতিহাসের মাত্র পঞ্চম ব্রাজিলিয়ান হিসেবে এই রেকর্ডে নাম লেখালেন ভিনি। গ্রুপ পর্বের লড়াই শেষে ৭ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ল ব্রাজিল। অন্যদিকে ৩ পয়েন্ট পাওয়া স্কটল্যান্ডকে এখন তাকিয়ে থাকতে হবে অন্যান্য গ্রুপের ফলাফলের ওপর, সেরা তৃতীয় দল হিসেবে পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার ক্ষীণ আশা নিয়ে।