ডিএনএন ডেস্ক: ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর রেডিওকে জার্মানির রাজনৈতিক ও সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, চলমান সংঘাতের মধ্যে আঞ্চলিক দেশগুলোতে ইরানের হামলা বন্ধ না হলে দেশটির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অভিযানে যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবে জার্মানি। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির সদস্যরা রেডিওটিকে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের পরিকল্পনা ইতোমধ্যেই চলছে। এতে বিমান হামলায় অংশগ্রহণ এবং সামরিক ও আকাশপথে সহায়তা দেওয়ার বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত আছে।
বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, এর আগে রোববার ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্র একটি যৌথ বিবৃতিতে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের হামলার নিন্দা জানায়। তারা সতর্ক করে বলে, প্রয়োজন হলে উপসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের ও মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিতে তারা প্রস্তুত।
এদিকে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার রাতে দেওয়া এক বার্তায় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, ইরানে প্রতিরক্ষামূলক হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ইরাক যুদ্ধের ভুল থেকে পাওয়া শিক্ষার কারণে যুক্তরাজ্য ইরান সংঘাতে জাড়বে না।
স্টারমার বলেন, ‘মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার তাগিদে মার্কিন অনুরোধ রাখতে ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ বিবিসির ধারণা, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত গ্লুচেস্টারশায়ারের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড এবং ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটি ব্যবহার করবে।
ভিডিও বার্তায় স্টারমার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র শুধু নির্দিষ্ট ও সীমিত প্রতিরক্ষার উদ্দেশে ব্রিটিশ ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করবে। এর লক্ষ্য হবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে উৎক্ষেপণস্থলেই ধ্বংস করা। অনুমতি দেওয়ার পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন মেনেই নেওয়া হয়েছে।