৯ কার্তিক, ১৪৩৩
২৪ অক্টোবর, ২০২৬

শীতের আগাম সবজিতে স্বস্তি, কমেছে ডিমের দাম

Admin Published: October 23, 2026, 5:29 pm
শীতের আগাম সবজিতে স্বস্তি, কমেছে ডিমের দাম

ডিএনএন ডেস্ক: শীতের আগমনী বার্তার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর কাঁচাবাজারে উঠতে শুরু করেছে আগাম শীতকালীন সবজি। সরবরাহ বাড়ায় কিছু পণ্যের দামে সামান্য স্বস্তি মিললেও টমেটো ও শিমের মতো পণ্যে এখনো চড়া দাম গুণতে হচ্ছে ক্রেতাদের। অবশ্য অন্য সবজির তুলনায় লাউ, পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া পাওয়া যাচ্ছে কিছুটা কম দামে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে বাজারদরের এই মিশ্র চিত্র দেখা গেছে।


সবজির বাজারে এমন পরিস্থিতির মধ্যেই গত সপ্তাহের তুলনায় ডজনপ্রতি প্রায় ১০ টাকা কমেছে ডিমের দাম। তবে মুরগি ও গরুর মাংসের বাজারদর রয়েছে আগের মতোই উচ্চমূল্যে অপরিবর্তিত।


বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে প্রতি কেজি ফুলকপি, ঝিঙা, পটোল, কাঁকরোল ও বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। শীতের আগাম মুলা ও ঢ্যাঁড়সের দাম কেজি প্রতি ৭০ টাকা। তবে আগাম শিম কিনতে ক্রেতাদের গুণতে হচ্ছে কেজিতে ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। এছাড়া প্রতিটি মাঝারি আকারের ফুলকপি ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ৭০ টাকায়।


অন্যদিকে, বাজারে তুলনামূলক কম দামে মিলছে পেঁপে, মিষ্টিকুমড়া ও লাউ। প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ টাকা এবং মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে প্রতিটি লাউয়ের দাম ৩০ থেকে ৪০ টাকা। কচুমুখি বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৮০ টাকায়। দাম কমে কাঁচা মরিচ মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়।


বাজার করতে আসা ক্রেতা রাইহান উদ্দিন বলেন, বর্তমানে বাজারের সবচেয়ে সস্তা সবজি হচ্ছে লাউ ও পেঁপে। আর চড়া দামে কিনতে হচ্ছে টমেটো ও শিম। তবে বাজারে শীতের সবজি পুরোদমে নামলে দাম আরও কমবে বলে আশা করছি।


এদিকে, ডিমের বাজারে দেখা গেছে কিছুটা স্বস্তি। কারওয়ান বাজারে আজ প্রতি ডজন বাদামি রঙের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায় এবং সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়।


ডিম বিক্রেতা শহিদুল ইসলাম জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় ডজনে ১০ টাকার মতো দাম কমেছে।


তবে মাংসের বাজারে স্বস্তির কোনো খবর নেই। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮৫ টাকা, সোনালি মুরগি ৩১০ টাকা এবং গরুর মাংস ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।


সব মিলিয়ে, শীতের আগাম সবজি বাজারে আসায় এবং ডিমের দাম কমায় কিছুটা ভারসাম্য এলেও টমেটো, শিম ও মাংসের চড়া দাম ক্রেতাদের বাজার খরচের ওপর বাড়তি চাপ বজায় রেখেছে।