স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেছেন, যারা প্রকৃত দেশপ্রেমিক তারা কখনো দেশ ছেড়ে পালাতে পারেনা। কারণ তারা দেশ এবং দেশের মানুষকে ভালবাসে। শুধু তাই নয় নিজ সন্তানের মত দেখেন। এমনি একজন নেতা হচ্ছেন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁকে পতিত সরকার নানাভাবে নির্য়াতন করেছে। তাঁকে বিনা কারনে সাজা দিয়ে জেলের শ্যাঁত সেঁতে ঘরে রেখেছিলো। বিনা চিকিৎসায় মারতে চেয়েছিলো। কিন্তু রাখে আল্লাহ মারেকে। তিনি এখনো জীবিত আছেন।
শনিবার বিকেলে রাজশাহীর পবার কুলপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় বিএনপির উদ্যোগে শহীদ জিয়া স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বেগম জিয়া সব থেকে বেশী ত্যাগ ও হারিয়েছেন। তিনি তার একটি সন্তানকে হারিয়েছেন। আরেকটি সন্তান এখনো দেশে আসতে পারেনি। এছাড়াও একজন নারীর সবথেকে প্রিয় সম্পদ হচ্ছে স্বামী সন্তানের পরে তাঁর সংসার। সেই চল্লিশ বছরের সংসার খুনি স্বৈরাচার হাসিনা কেড়ে নিয়েছে। এসময়ে তিরি ছেলেদের নিকট থাকতে পারতেন। কিন্তু সেটা তিনি করেননি বলে উল্লেখ করেন মিলন।
মিলন আরো বলেন,খুনি হাসিনা দেশবাসী ও তার দলের নেতাকর্মীদের রেখে বার বার দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। শেষবার গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলের মুখে প্রান ভয়ে ভারতে পালিয়ে গিয়ে বসে আছে। মিলন বলেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে অন্তরবর্তীকালীন সরকার কাজ করছে। কিন্তু একটি দল এই নির্বাচনের পরিবেশ ঘোলা করতে গভীর ষড়যন্ত্র করছে। ওই দল নির্বাচন করার জন্য প্রতিটি সংসদীয় আসনে প্রার্থী চুড়ান্ত করেছে। কিন্তু ঢাকাতে বসে তারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলাম হচ্ছে একটি মোনাফেক দল। এই দল ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় ভারতের পক্ষ হয়ে কাজ করেছিলো। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জামায়াতে ইসলাম পাকিস্তানের হয়ে কাজ করেছিলো। সে সময়ে তারা বাংলাদেশের অনেক মানুষকে হত্যা এবং নারীদের সম্ভ্রম নষ্ট করতে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীকে সহায়তা করেছে।
পরে তিনি বিজয়ীদল কুলপাড়া স্পোটিং ক্লাব ও রানার-আপদল বিসমিল্লাহ অটো গ্যারেজ দলের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।
পবা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য গোলাম নবীর সভাপতিত্বে এবং ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য ও নওহাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র শেখ মকবুল হোসেন, পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক,জেলা বিএনপির সদস্য ও তানোর পৌর সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান, পবা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ, তাউজুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক রাজু আহমেদ, হড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন, সদস্য সচিব শাহিন রেজা সান্নান,পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য রেজাউল আলম হাফিজ, এরশাদ আলী।