৬ বৈশাখ, ১৪৩৩
১৯ এপ্রিল, ২০২৬

রাজশাহীর চারঘাটে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০

Admin Published: January 27, 2025, 3:04 pm
রাজশাহীর চারঘাটে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীর চারঘাটে বিদ্যালয়ের সভাপতি হওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। 

এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০  জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার সরদহ ইউনিয়নের পাটিয়াকান্দী উচ্চ বিদ্যালয়ে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পাটিয়াকান্দী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা আবু সাঈদ চাঁদের সমর্থক হিসেবে পরিচিতি জাহাঙ্গীর হোসেনের সঙ্গে বিএনপির অপর নেতা আনোয়ার হোসেনের সমর্থক হিসেবে পরিচিত কাজী গ্রুপের বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে চাঁদ গ্রপের সমর্থকরা গত এক মাস আগে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক একেএম জাকারিয়া হোসেনকে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেয়। ওই সময় প্রধান শিক্ষকের অফিসসহ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এরপর থেকে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেনি প্রধান শিক্ষক জাকারিয়া হোসেন। 

এ ঘটনায় গত এক মাস ধরেই বিদ্যালয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। সর্বশেষে সোমবার কাজী গ্রুপের নেতৃত্বে একটি পক্ষ প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। এ ঘটনা জানতে পেরে চাঁদ সমর্থক জাহাঙ্গীর গ্রুপের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে বাধা দেয়। এ নিয়ে স্থানীয় দুপক্ষের মধ্যে শুরু হয় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। এদে;র  মধ্যে, জাহাঙ্গীর গ্রুপের জাহাঙ্গীর হোসেন (৪৫), শাজাহান আলী মন্ডল (৫৫), তার ছেলে সেলিম রেজা (২৫) ও আমান উল্লাহ (৫৫) এবং কাজী গ্রুপের কাজী আহম্মেদ (৫৫), শাবু সরদারকে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক একেএম জাকারিয়া হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। চারঘাট মডেল থানার ওসি বলেন, বিদ্যালয়ের সভাপতি হওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। সর্বশেষ সোমবার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে গেলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এসময় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। তবে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে।