১১ ভাদ্র, ১৪৩৩
২৭ আগস্ট, ২০২৬

আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োগ বাতিল ও বকেয়া পরিশোধের দাবি রেশম শ্রমিকদের

Admin Published: March 8, 2026, 5:20 pm
আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োগ বাতিল ও বকেয়া পরিশোধের দাবি রেশম শ্রমিকদের

স্টাফ রিপোর্টার : আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োগ বাতিল ও বকেয়া মজুরি পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন রাজশাহীর রেশম শ্রমিকরা। রবিবার দুপুরে রাজশাহী রেশম সম্প্রসারণ অধিদফতরের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেশম শ্রমিক দল, রাজশাহী রেশম বোর্ড শাখা শাখা আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উত্তরবঙ্গের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ১৯৭৮ সালে রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে রেশম খাতে ধারাবাহিকভাবে সাফল্য অর্জিত হয়।

এক সময় রেশম বোর্ডে ৫৮৩ জন শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। কিন্তু বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছরের বিভিন্ন সময়ে অর্ধেকের বেশী ৩২৭ জনকে বাদ দেওয়া হয়। বর্তমানে ২৫৬ জন শ্রমিক দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে।

শ্রমিকদের দাবি, অর্থ মন্ত্রণালয় ছাঁটাই করা ৩২৭ শ্রমিককে কাজে পুনর্বহালের অনুমতি দিয়েছে। তবুও রেশম বোর্ড কর্তৃপক্ষ তাদের বেতন-ভাতা প্রদান করছে না। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আগামী ৩১ মার্চের পর আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে টেন্ডারের মাধ্যমে শ্রমিক নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা শ্রমিকদের জন্য হবে আত্মঘাতি। এতে অনেক শ্রমিক চাকরি হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন।

শ্রমিকরা বলেন, এখানে যারা কাজ করেন, তারা ২০ থেকে ৩০ বছর ধরে রেশম চাষ ও সংশ্লিষ্ট কাজে অভিজ্ঞ। ঠিকাদারের অধীনে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োগ দেওয়া হলে তারা স্থায়ী শ্রমিকের তালিকা থেকে চিরতরে বাদ পড়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় শ্রমিকরা আউটসোর্সিং পদ্ধতি বাতিল, ৫৮৩ জন শ্রমিককে রাজস্ব খাতভুক্ত করা এবং বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, জাতীয়তাবাদী রেশম শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন তাসেন। এছাড়া রেশম শ্রমিক দলের সভাপতি শাহ আলম লুটু, সাংগঠনিক সম্পাদক দীপক কুমার,  রেশম কারখানা শ্রমিকদলের মীরগঞ্জ বীজআগারের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ,  সাধারণ সম্পাদক আরমান আলী, জাতীয়তাবাদী রেশম কারখানা শ্রমিকদলের সভাপতি জয়নাল আবেদিন আলম, বগুড়া রেশম বীজাগারের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর সামাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।