৬ আষাঢ়, ১৪৩৩
২১ জুন, ২০২৬

স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে আদালতে স্বপ্না চৌধুরী

Admin Published: June 11, 2026, 6:21 pm
স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে আদালতে স্বপ্না চৌধুরী

ডিএনএন ডেস্ক: ভারতের হরিয়ানভি সংগীত জগতের জনপ্রিয় শিল্পী ও অভিনেত্রী স্বপ্না চৌধুরীকে ঘিরে নতুন আইনি বিতর্ক সামনে এসেছে। স্বামী যশবীর সাহুর বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতার অভিযোগ এনে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। প্রাথমিক শুনানির পর দিল্লির একটি আদালত অভিনেত্রীকে অন্তর্বর্তী নিরাপত্তা প্রদান করেছে।


আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, যশবীর সাহু পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্বপ্না চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ বা সাক্ষাৎ করতে পারবেন না। এছাড়া তাঁর বাসভবন কিংবা কর্মস্থলের আশপাশে যাওয়ার ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি কোনো ধরনের হুমকি, হয়রানি বা পারিবারিক সহিংসতামূলক আচরণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে।

আদালতে জমা দেওয়া নথিতে স্বপ্না চৌধুরী দাবি করেছেন, স্বামীর আচরণের কারণে তিনি বাধ্য হয়ে তাঁদের যৌথ বাসস্থান ছেড়ে চলে আসেন। বর্তমানে তিনি দিল্লির নজফগড় এলাকায় নিজের পৈতৃক বাড়িতে বসবাস করছেন। তাঁর আইনজীবীর ভাষ্য, অতীতে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনার ভিত্তিতে অভিনেত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগ রয়েছে এবং একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।


স্বপ্না চৌধুরীর আসন্ন চলচ্চিত্র ‘মোমাকু’-র প্রসঙ্গও আদালতের সামনে তুলে ধরা হয়। অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সিনেমার প্রচার ও মুক্তির সময় তাঁর বিরুদ্ধে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টাও হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।


মামলার সঙ্গে জমা দেওয়া কিছু আলোকচিত্র ও ডিজিটাল প্রমাণও পর্যালোচনা করেছে আদালত। এসব তথ্যের ভিত্তিতে আদালত প্রাথমিকভাবে মনে করেছে, অভিযোগগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার দাবি রাখে। এ কারণে যশবীর সাহুর বিরুদ্ধে সমন জারির সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।


দীর্ঘ চার বছরের সম্পর্কের পর ২০২০ সালে স্বপ্না চৌধুরী ও যশবীর সাহু বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। একই বছর তাঁদের প্রথম সন্তানের জন্ম হয়। পরে ২০২৪ সালে দ্বিতীয় সন্তানেরও জন্ম দেন এই দম্পতি। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্ককে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।


তবে আদালত স্পষ্ট করেছে, মামলাটির চূড়ান্ত রায় এখনও আসেনি। অভিযোগের সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে এবং সব পক্ষের বক্তব্য শোনা বাকি রয়েছে। ফলে বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে।