৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
১৭ এপ্রিল, ২০২৬

আলোচনার জন্য পাকিস্তান সফরে আসতে পারেন ট্রাম্প

Admin Published: April 17, 2026, 11:41 am
আলোচনার জন্য পাকিস্তান সফরে আসতে পারেন ট্রাম্প

ডিএনএন ডেস্ক: পাকিস্তান সফর নিয়ে রহস্যময় বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের একটি চুক্তি যদি ইসলামাবাদে স্বাক্ষরিত হয়, তবে তিনি নিজেও পাকিস্তান সফর করতে পারেন। ইরান ইতোমধ্যেই প্রায় সব শর্তে সম্মত হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, আগামী সপ্তাহে শেষ হতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো যেতে পারে, তবে হয়তো তার প্রয়োজনই হবে না। যদি ইসলামাবাদে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, আমি যেতে পারি। তারা আমাকে চায়।



তিনি দাবি করেন, ইরান গত বছর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি বিমান হামলার পর লুকিয়ে রাখা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ত্যাগ করতে রাজি হয়েছে। যদিও দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধের দাবি করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।


তিনি বলেন, কি হয় দেখা যাক। তবে আমার মনে হয় আমরা ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি। পরে নেভাদার লাস ভেগাসে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হতে পারে।


গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে। এছাড়া যুদ্ধের প্রভাবে তেলের দাম ব্যাপক বেড়ে গেছে, যা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।


ট্রাম্প জানান, তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে ‘চমৎকার আলোচনা’ করেছেন। আলোচনা অর্থবহ করতে তাদের হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।


উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইনকে ইসরায়েল ও লেবাননের সঙ্গে কাজ করে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প।


অন্যদিকে, ইরান লেবাননে যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে। দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতার অংশ। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এটি অর্জিত হয়েছে।